ঢাকা ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:৩০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রুহিন আহমদ :- সম্প্রতি ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত মনোমুগ্ধকর দেশ জর্জিয়া ভ্রমণের সুযোগ হয়েছিল আমার। ব্যক্তিগত এই সফর শেষে একটি বিষয় নিঃসন্দেহে বলা যায়—জর্জিয়া এখনো অনেকের কাছে অজানা হলেও এটি খুব দ্রুত বিশ্ব পর্যটনের মানচিত্রে শক্ত অবস্থান তৈরি করছে।
নন-শেঙ্গেন হওয়ায় ভিসা প্রক্রিয়া তুলনামূলক সহজ, যা বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটকদের জন্য বড় একটি সুবিধা। রাজধানী তিবলিসিতে পা রাখার পরই চোখে পড়ে ইতিহাস আর আধুনিকতার এক অসাধারণ মেলবন্ধন। পুরনো শহরের সরু পাথুরে রাস্তা, পাহাড়ঘেরা দৃশ্য আর নদীর পাশের ক্যাফেগুলো এক অন্যরকম অনুভূতি তৈরি করে।
কাজবেগির দিকে যাত্রা ছিল ভ্রমণের অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা। মেঘের ভেতর দাঁড়িয়ে থাকা পাহাড় আর শান্ত প্রকৃতি যেন এক জীবন্ত পোস্টকার্ড। অন্যদিকে বাতুমি শহর সমুদ্রপ্রেমীদের জন্য আদর্শ আধুনিক স্থাপনা, নাইটলাইফ এবং সমুদ্রের বাতাস সব মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত পরিবেশ!
কাখেতি অঞ্চলের আঙুরবাগান ও ঐতিহ্যবাহী ওয়াইন সংস্কৃতি আমাকে বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছে। স্থানীয়দের আতিথেয়তা এতটাই আন্তরিক যে মনে হয়েছে যেন আমি কোনো বিদেশে নয়, বরং পরিচিত কারো ঘরেই আছি!,
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—খরচ। ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় এখানে ভ্রমণ, খাবার এবং থাকার খরচ অনেকটাই সাশ্রয়ী। ফলে যারা সীমিত বাজেটে ইউরোপীয় অভিজ্ঞতা নিতে চান, তাদের জন্য জর্জিয়া হতে পারে সেরা পছন্দ!:
আমার অভিজ্ঞতায়, নতুন জায়গা খুঁজছেন এমন ভ্রমণপিপাসুদের জন্য জর্জিয়া এখনই সময়। এই দেশ আপনাকে দেবে প্রকৃতি, সংস্কৃতি এবং আতিথেয়তার এক অনন্য মিশ্রণ!
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক :তানভীর হাসান।
ব্যাবস্থাপনা পরিচালক:মীর মোশাররফ হোসেন।
