ঢাকা ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:১৬ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৯, ২০২৬
এতে গত এক দশকের অগ্রগতি মূল্যায়নের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ করণীয়ও তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশের এফডিআই স্টক দাঁড়িয়েছে প্রায় এক হাজার ৮২৯ কোটি ডলারে। বিপরীতে একই সময়ে ভিয়েতনামের এফডিআই স্টক ২৪ হাজার ৯১৪ কোটি ডলার, ইন্দোনেশিয়ার ৩০ হাজার ৫৬৬ কোটি ডলার এবং কম্বোডিয়ার পাঁচ হাজার ২৬৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ বাংলাদেশের তুলনায় ভিয়েতনাম প্রায় ১৩ গুণ, ইন্দোনেশিয়া ১৭ গুণ এবং কম্বোডিয়া প্রায় তিন গুণ এগিয়ে রয়েছে।!,
এই ব্যবধানের মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বাংলাদেশে এফডিআই প্রবাহের ধারাবাহিক দুর্বলতা! ২০১৯ সালে যেখানে দেশে বিদেশি বিনিয়োগপ্রবাহ ১৮০ কোটির বেশি ডলারে পৌঁছেছিল, সেখানে ২০২৪ সালে তা প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কমে যায়!’এমনকি কভিড-১৯ মহামারি শুরুর সময়ের তুলনায়ও বিনিয়োগপ্রবাহ কমে যাওয়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও এ সময়ে মোট এফডিআই স্টক তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল, যা প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করেছে!’
অনুষ্ঠানে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ২০১৩ সালের পর থেকে এফডিআই আকর্ষণে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। জিডিপির তুলনায় বিনিয়োগের হারও বাড়েনি বরং কিছু ক্ষেত্রে কমেছে। তাঁর মতে, পরিকল্পনা ও নীতিগত সুপারিশের অভাব নেই, কিন্তু বাস্তবায়নের দুর্বলতার কারণেই কাঙ্ক্ষিত ফল আসছে না!এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে ‘গতি পরিবর্তন’ বা নতুন ধাঁচের সংস্কার জরুরি বলে তিনি মনে করেন।।,!প্রতিবেদনটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কয়েকটি কাঠামোগত ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপে বিনিয়োগ পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক :তানভীর হাসান।
ব্যাবস্থাপনা পরিচালক:মীর মোশাররফ হোসেন।
