ঢাকা ১২ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:১৫ অপরাহ্ণ, মে ১২, ২০২৬
সোমবার ওভাল কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের পাঠানো শান্তি প্রস্তাবকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। ইরান তাদের প্রস্তাবে যুদ্ধ বন্ধের পাশাপাশি মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া এবং হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার শর্ত দিয়েছিল। ট্রাম্প এই প্রস্তাবকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” এবং “আবর্জনা” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে, বর্তমান যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি এতটাই নড়বড়ে যে এটি যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে।
ট্রাম্পের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ গালিবাফ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি হুঙ্কার দিয়ে বলেন:
“ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের জবাব দিতে এবং শিক্ষা দিতে প্রস্তুত আছে। যুক্তরাষ্ট্র যত গড়িমসি করবে, মার্কিন করদাতাদের তত বেশি মূল্য দিতে হবে।”
গালিবাফ আরও জোর দিয়ে বলেন যে, ইরানের উত্থাপিত ১৪-দফা প্রস্তাবে বর্ণিত অধিকারগুলো মেনে নেওয়া ছাড়া ওয়াশিংটনের হাতে আর কোনো বিকল্প নেই।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের দেওয়া শান্তি প্রস্তাবের মূল পয়েন্টগুলো হলো:
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই তেহরানের এই প্রস্তাবগুলোকে “দায়িত্বশীল” এবং “উদার” বলে দাবি করেছেন। তবে ওয়াশিংটন এই শর্তগুলোকে মেনে নিতে নারাজ হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে পুনরায় বড় ধরনের সংঘাতের কালো মেঘ জমছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দুই পক্ষই এখন শক্ত অবস্থানে রয়েছে। একদিকে ট্রাম্পের কঠোর চাপ প্রয়োগের নীতি, অন্যদিকে ইরানের সামরিক প্রস্তুতির হুমকি—সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা এখন সুতোর ওপর ঝুলছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক :তানভীর হাসান।
ব্যাবস্থাপনা পরিচালক:মীর মোশাররফ হোসেন।