ঢাকা ১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:১২ অপরাহ্ণ, মে ১১, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি:-পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সৌদি আরবের পর দ্বিতীয় জনবহুল দেশ হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে দেশটির সবচেয়ে বিস্ময়কর দিক হলো—এখানে বসবাসকারী ১১ মিলিয়নের বেশি মানুষের প্রায় ৯০ শতাংশই বিদেশি নাগরিক।
কাজ ও উন্নত জীবিকার সন্ধানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ পাড়ি জমিয়েছে আমিরাতে। বিদেশিদের বড় একটি অংশ এসেছে ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে। দেশটিতে বর্তমানে প্রায় ২০০টি ভিন্ন জাতিসত্তার মানুষের বসবাস রয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আমিরাতের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৫ দশমিক ৩৮ শতাংশই ভারতীয়। অন্যদিকে, ২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী প্রকৃত আমিরাতি নাগরিকের সংখ্যা প্রায় ১৩ লাখ ১০ হাজার।
দেশটির জনসংখ্যায় পুরুষের হার ৬৩ দশমিক ৮ শতাংশ, যেখানে নারীর হার ৩৬ দশমিক ২ শতাংশ। মূলত বিপুল সংখ্যক অভিবাসী শ্রমিক পরিবার ছাড়া আমিরাতে অবস্থান করায় এই ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকেও শক্ত অবস্থানে রয়েছে আমিরাত। দেশটির মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রায় ৫০৪ বিলিয়ন ডলার। মাথাপিছু জিডিপি বা ক্রয়ক্ষমতা সমতা অনুযায়ী তা প্রায় ৫৩ হাজার ডলার, যা বিশ্বের উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা দেখায়।
তবে আমিরাতের অর্থনীতির মূল ভিত্তি এখনো তেল। দেশটির জিডিপির প্রায় ৩০ শতাংশ এবং সরকারি রাজস্বের ৪১ শতাংশ আসে তেল খাত থেকে। প্রতিদিন দেশটিতে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল উৎপাদিত হয় এবং প্রমাণিত তেল মজুতের পরিমাণ প্রায় ১১৩ বিলিয়ন ব্যারেল বলে ধারণা করা হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক :তানভীর হাসান।
ব্যাবস্থাপনা পরিচালক:মীর মোশাররফ হোসেন।